জলপাইগুড়ি ও ডুয়ার্সের বিভিন্ন প্রান্তে বন্ধ রয়েছে প্রায় ১৫টি চা-বাগান। এর মধ্যে রয়েছে ডানকানের নয়টি বাগান। এই বাগানগুলোর শ্রমিকদের প্রভিডেন্ট ফান্ড সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে বৃহস্পতিবার একটি বৈঠক হল জলপাইগুড়ি ভবিষ্যনিধি ভবনে। উপস্থিত ছিলেন আলিপুরদুয়ারের সাংসদ জন বারলা, জলপাইগুড়ির সাংসদ জয়ন্তকুমার রায়। ছিলেন ট্রেড ইউনিয়নের নেতারাও। প্রভিডেন্ট ফান্ড দপ্তরের আঞ্চলিক কমিশনার 1 বি লালজামাং, অ্যাসিস্টেন্ট কমিশনার সঞ্জয় মল্লিক সহ বিভিন্ন আধিকারিকদের সঙ্গে ছিলেন
নিজস্ব সংবাদাতা ,জলপাইগুড়ি :শ্রমিক নেতা জিয়াউল আলম, মনিকুমার দার্নাল সহ অন্যান্যরা। সাংসদ জন বারলা বলেন, শ্রমিকদের বকেয়া প্রভিডেন্ট ফান্ড নিয়ে এদিন আলোচনা করেছেন তারা। ডুয়ার্সের বিভিন্ন এলাকায় যেসব বন্ধ বাগান রয়েছে সেখানকার শ্রমিকরা দীর্ঘ প্রায় এক দশক ধরে প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন সাংসদ জন বারলা। বলেন, প্রভিডেন্ট ফান্ড নিয়ে শ্রমিকদের বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা হল প্রভিডেন্ট ফান্ডের সঙ্গে আধার কার্ডের সংযুক্তিকরণ। এই মুহূর্তে প্রায় প্রতিটি চা- বাগানেই চার থেকে পাঁচ কোটি টাকা করে শ্রমিকদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা বকেয়া রয়েছে বলে অভিযোগ করেন সাংসদ জন বারলা। রিজিওনাল পি এফ কমিশনার 1 বিলাল জামাং বলেন যে ডানকান বাগানের সঙ্গে অন্যান্য বাগানের সমস্যা নিয়ে এদিন বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে গুরুত্ব সহকারে।
শ্রমিক নেতা জিয়াউল আলম বলেন, চা-বাগানের শ্রমিকদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা ব্যাপকভাবে নয়ছয় হচ্ছে। এই বিষয়টি নিয়ে একটি রিভিউ মিটিং করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে পিএফ অথরিটি কোনও ব্যবস্থা নিলে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হতে পারে বলে মনে করেন তিনি। বৈঠক শেষে সাংসদ জয়ন্ত রায় বলেন যে চাবাগানের বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে। যেমন পিএফ , আধারকার্ড সহ অন্যান্য সমস্যা নিয়ে পিএফ কমিশনারের উপস্থিত দীর্ঘ সময় ধরে আলোচনা হয়।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Please do not enter any spam link in the comment box